trading strategy

 this is trading strategy read-

অবশ্যই। নিচে ২টি নিয়মভিত্তিক কৌশল দিলাম, যেগুলো আগে পেপার ট্রেডিংয়ে অনুশীলন করতে পারো। কোনোটিই নিশ্চিত লাভ দেয় না—ফিউচারসে লিভারেজের কারণে দ্রুত বড় ক্ষতি হতে পারে। নতুন হলে স্পট দিয়ে শুরু করাই ভালো।


১. ট্রেন্ডের দিকে পুলব্যাক — স্পট ও ফিউচারস

সেটআপ: ৪ ঘণ্টার চার্টে ট্রেন্ড দেখো; ১ ঘণ্টার চার্টে এন্ট্রি খোঁজো। ইন্ডিকেটর: EMA 20 ও EMA 50।


কেনার নিয়ম:


৪ ঘণ্টার চার্টে দাম EMA 50-এর ওপরে, EMA 20 > EMA 50 এবং দুটোই ঊর্ধ্বমুখী থাকবে।

১ ঘণ্টার চার্টে দাম EMA 20–50 অঞ্চলে ফিরে আসতে দাও। কাছাকাছি আগের সাপোর্ট থাকলে ভালো।

ওই অঞ্চল থেকে বাউন্স করে একটি ক্যান্ডেল আগের ক্যান্ডেলের হাইয়ের ওপরে ক্লোজ করলে, তার হাই ভাঙার পর এন্ট্রি বিবেচনা করো।

স্টপ-লস: পুলব্যাকের সর্বনিম্ন দামের একটু নিচে।

টার্গেট: পরের রেজিস্ট্যান্স। সেখানে সম্ভাব্য লাভ ঝুঁকির অন্তত দ্বিগুণ না হলে ট্রেড বাদ দাও।

ফিউচারসে শর্ট: একই নিয়ম উল্টো—নিম্নমুখী ট্রেন্ড, EMA অঞ্চলে রিবাউন্ড, তারপর নিচের দিকে নিশ্চিত ব্রেক। স্পটে শর্ট নয়।


এড়িয়ে চলো: EMA বারবার একে অন্যকে কাটছে বা বাজার পাশের দিকে চলছে।


২. রেঞ্জ ব্রেকআউট + রিটেস্ট — স্পট ও ফিউচারস

সেটআপ: ৪ ঘণ্টার চার্টে পরিষ্কার রেঞ্জ আঁকো—যার ওপরের ও নিচের সীমায় অন্তত দুইবার দাম প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।


কেনার নিয়ম:


রেঞ্জের রেজিস্ট্যান্সের ওপরে ৪ ঘণ্টার ক্যান্ডেল ক্লোজ হওয়ার অপেক্ষা করো; শুধু উইক বের হওয়া যথেষ্ট নয়। সাম্প্রতিক ক্যান্ডেলগুলোর তুলনায় বেশি ভলিউম হলে বাড়তি সমর্থন পাবে।

দাম আবার সেই ভাঙা রেজিস্ট্যান্সে ফিরলে ১ ঘণ্টার চার্ট দেখো—এবার সেটি সাপোর্ট হিসেবে টিকে কি না।

রিটেস্টে বুলিশ ক্যান্ডেল ক্লোজ হলে তার হাই ভাঙার পর এন্ট্রি বিবেচনা করো। রিটেস্ট না হলে দাম তাড়া কোরো না।

স্টপ-লস: রিটেস্টের লোয়ের একটু নিচে।

টার্গেট: পরের বড় রেজিস্ট্যান্স; সেখান পর্যন্ত অন্তত ১:২ ঝুঁকি–লাভ অনুপাত চাই।

ফিউচারসে শর্ট: রেঞ্জের নিচে ব্রেক, নিচ থেকে রিটেস্ট, তারপর রিজেকশন—একই নিয়ম উল্টো।


এড়িয়ে চলো: ব্রেকের পর দাম আবার রেঞ্জের ভেতরে ক্লোজ করলে, বড় সংবাদ চলাকালে বা কম লিকুইডিটির কয়েনে।


লাভের চেয়ে আগে মূলধন বাঁচাও

প্রতি ট্রেডে মোট অ্যাকাউন্টের ০.৫% বা কম ঝুঁকি নাও। এটি পজিশনের পরিমাণ নয়; স্টপ লাগলে সম্ভাব্য ক্ষতি।

উদাহরণ: অ্যাকাউন্ট $১,০০০, ঝুঁকি $৫। এন্ট্রি $১০০, স্টপ $৯৮ হলে ফি বাদে সর্বোচ্চ ২.৫ ইউনিট, অর্থাৎ $২৫০ পজিশন। ফি ও স্লিপেজ ধরতে পরিমাণ আরও কমাও।

লিভারেজ ঝুঁকির বাজেট বাড়ায় না। ফিউচারসে গেলে isolated margin ব্যবহার করো; liquidation-কে কখনো স্টপ-লস হিসেবে ধরো না। স্টপও দ্রুত বাজারে নির্ধারিত দামে কার্যকর হওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না।

স্টপ দূরে সরিও না, লোকসানের পজিশনে বারবার টাকা যোগ কোরো না। দিনে পরপর দুইবার স্টপ লাগলে সেদিন থামো।

একসঙ্গে দুই কৌশল নয়: একটি বেছে অন্তত ৫০–১০০টি ঐতিহাসিক সেটআপ পরীক্ষা, তারপর পেপার ট্রেড করো। ফি, স্লিপেজ ও ফিউচারসের funding বাদ দিয়ে ফল হিসাব করো; অতীতের লাভ ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা নয়।

শুরুর পরামর্শ: BTC বা ETH স্পটে প্রথম কৌশলটি অনুশীলন করো—ট্রেড না পাওয়াও স্বাভাবিক; প্রতিদিন ট্রেড করা জরুরি নয়।




Post a Comment

0 Comments

Post a Comment (0)